শিরোনাম:
●   লালমোহনে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীকে চড় মারলেন আ’লীগের সম্পাদক ●   ভোলায় রিমালের আঘাতে ঘরচাপায় নিহত ৩, আহত ১০, ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত, বেড়িবাঁধ ধ্বস প্লাবিত, অন্ধকারে জেলাবাসী ●   লালমোহনের ধলীগৌরনগর ইউপিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাকসুদুর রহমান ●   লালমোহনে ডিএসবির এসআইকে পেটালেন শালিক প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা ●   ভোলায় তিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইউনুছ, মনজুর আলম, জাফর উল্যাহ নির্বাচীত চেয়ারম্যান ●   ভোলার কর্ণফুলী-৩ লঞ্চে চাঁদপুরের মোহনায় অগ্নিকাণ্ড ●   উদ্ভাস-উন্মেষ-উত্তরণ এখন দ্বীপ জেলা ভোলায় ●   ভোলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ’লীগের সমর্থিত প্রার্থী বশীর উল্লাহ সভাপতি, সম্পাদক মাহাবুবুল হক লিটু নির্বাচিত ●   ভোলা জেলা প্রশাসকের সাথে আইনজীবী সমিতির মতবিনিময় ●   চরফ্যাশনে দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়লো চট্টগ্রামগামী বাস
ভোলা, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ভোলার সংবাদ
শনিবার ● ৯ জানুয়ারী ২০১৬
প্রথম পাতা » জানা অজানা » কমরেড নলিনী দাসে’র ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী পালিত
প্রথম পাতা » জানা অজানা » কমরেড নলিনী দাসে’র ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী পালিত
৭৪৮ বার পঠিত
শনিবার ● ৯ জানুয়ারী ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কমরেড নলিনী দাসে’র ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

---

মোকাম্মেল হক মিলন: নলিনী দাস ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের নির্ভিক এক সৈনিক । ত্যাগ ছিল তার আদর্শ। সত্তর বছরের জীবনে  দেশ ও স্বাধীনতার জন্য ২৩ বছর  জেল এবং ২০ বছর ৯ মাস পলাতক থাকতে হয়েছে তাকে। নলিনী দাসের জন্ম ১৯১০ সালের ১ জানুয়ারি বরিশাল জিলার উত্তর শাহবাজপুর, বর্তমান ভোলা  জেলায়। বাবা দুর্গামোহন দাস ছিলেন জমিদার  স্টেটের নায়েব।
নলিনী দাসের  লেখাপড়া শুরু  ভোলায়,  ভোলা স্কুল  থেকেই ১৯২৮ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। আইএসসিতে ভর্তি হন বরিশাল ব্রজমোহন কলেজে । জমিদারের নায়েবের  ছেলে হয়েও নলিনী দাস  ছেলেবেলা  থেকেই ভিন্ন ধারায় পথ চলতে শুরু করেন। তিনি যখন মাত্র ৫ম শ্রেণীর ছাত্র তখন সারা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন চলছে বেশ জোরেসোরেই। দ্বীপ-বন্দর দক্ষিণ শাহবাজপুর বা ভোলায়ও এর  ঢেউ লাগতে বেশি সময় লাগেনি। কিশোর নলিনী দাসও নেমে পড়েন প্রতিবাদে। ৫ম শ্রেণীর ছাত্র নলিনী দাস সরাসরি জরিয়ে পড়েন আন্দেলনে। অংশ  নেন হরতাল ধর্মঘটে; গ্রেফতার হন। মুক্তি পেয়ে লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ চলতে থাকে স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবীদের সাথে।
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজের ছাত্রাবস্থায়  মেছূয়া বাজার  বোমা হামলায় জড়িত থাকার দায়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। গ্রেফতার এড়াতে নলিনী দাস অত্মগোপনে চলে যান। পলাতক  থেকেও তিনি তার কাজ  থেকে বিরত থাকেননি। ১৯৩০-এ কলকাতার পুলিশ কমিশনার  টেগার্ট সাহেবকে হত্যা-প্রচেষ্টা মামলায় কলকাতায় গ্রেফতার হন। তাকে রাখা হয় হিজলী ক্যাম্পে। নলিনী দাস ১৯৩১-এর ১৬ সেপ্টেম্বর হিজলী ক্যাম্পে রাজবন্দীদের উপর গুলিবর্ষণের চাক্ষুস স্বাক্ষি। এই বছর ডিসেম্বর মাসে নলিনী দাস তার এক সহযোদ্ধা ফনী দাসগুপ্তকে নিয়ে হিজলী জেল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। শুরুহয় আবার পলাতক জীবন।
পলাতক অবস্থায় (১৯৩২) তিনি থাকতেন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরের একটি বাড়িতে। তার সাথে ছিলেন আরও দু’জন স্বাধীনতা সংগ্রামী; বিপ্লবী দীনেশ মজুমদার এবং বীরেন রায়। ব্রিটিশ পুলিশ তাদের অবস্থানের সন্ধান পেয়ে ওই বাড়ি ঘেরাও করে। শুরু হয় বন্দুক যুদ্ধ। এই যুদ্ধে চন্দননগর পুলিশ কমিশনার মি. কিউ নিহত হয়। চার ঘন্টা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে তিন জনই গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় বীরেণ রায় ধরা পড়েন আর নলিনী দাস ও দীনেশ মজুমদার পালাতে সক্ষম হন। পরের বছর ২২ মে (১৯৩৩) কলকাতার কর্নওয়ালিশ স্ট্রিটের একটি বাড়িতে পলাতক অবস্থায় পুলিশ ওই বাড়ি ঘেরাও করলে তিন বিপ্লবী রিভলভরের গুলি ছুড়তে ছুড়তে বেড়িয়ে আসেন। রিভলভরের গুলি ফুরিয়ে যাওয়ায় অন্যান্য বিপ্লবীদের সঙ্গে তিনিও ধরা পরেন। বিচারে দীনেশ মজুমদারের ফাঁসি এবং নলিনী দাস ও জগানন্দ মুখার্জির যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর দ্রু হয়। তাকে পাঠিয়ে  দেওয়া হয় কালাপানির আন্দামানে।
নলিনী দাস আন্দামানে বন্দী থাকেন ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৭ পর্যন্ত। আন্দামানে বন্দী অবস্থায়ও তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্রিটিশ শাসন শোষণের বিরুদ্ধে। অনশন ধর্মঘট করেছেন একাধিকবার। আন্দামানে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পাঠানো হয় কলকাতায়। ব্রিটিশ পুলিশ তাকে ‘ভয়ানক বিপ্লবী’ আখ্যায়িত করে বন্দী করে রাখে আলীপুর জেলে। সেখান থেকে আবার দমদম জেল। দমদম জেল থেকে নলিনী দাস মুক্তি পান ১৯৪৬-এর ৩০ সেপ্টেম্বর।
১৯৪৪-এ নলিনী দাস দমদম জেলে থাকতেই ভারতবর্ষের নানা স্থানে ছড়িয়ে পড়ে সামপ্রদায়িক দাঙ্গা। প্রথমে জেলে বসে এর প্রতিবাদ জানান নলিনী দাস। জেলেই গঠন করেন সামপ্রদায়িকতা বিরোধী প্রতীকী সংগঠন। জেল থেকে মুক্ত হয়েই ভারতীয় কমিউনিসাট পার্টিও নেতৃত্বে ঝাপিয়ে পড়েন সামপ্রদায়িক দাঙ্গা বিরোধী আন্দোলনে। কয়েকদিন কলকাতায় থেকে চলে যান বরিশালে। জীবনকে বাজি রেখে ছুটে যান দাঙ্গা উপদ্রুত এলাকায়। দাঁড়ান পিড়ীত মানুষদের পাশে।
১৯৪৭-এ  দেশ বিভাগের পর নলিনী দাস স্থায়ীভাবে চলে আসেন বরিশালে। কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে  নেন বরিশাল ও ভোলাকে। ভোলায় গড়ে  তোলেন কৃষক আন্দোলন।  সেই সাথে সংগঠন গড়ে তোলেন বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার রাকুদিয়া ও এর আশপাশ গ্রামে। কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলার অপরাধে পাকিস্থানী পুলিশ খুঁজে বেড়াচ্ছিল এই সব বিপ্লবীদের। ১৯৫০ সনের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাকুদিয়ার মুসলিম অধ্যূষিত কৃষক এলাকায় কৃষক আন্দোলন সংগঠনের ভবিষ্যৎ নিয়ে কয়েকদিন গোপন বৈঠক বসে। ঠিক ওই সময় আবার শুরু হয় সামপ্রদায়িক দাঙ্গা। এই গোপন বৈঠকের সংবাদ পেয়ে একদল দাঙ্গাকারী সভার স্থান ঘিরে  ফেলে। স্থানীয় অনেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ধরা পড়েন হীরালাল দাশগুপ্ত, হিরণলাল ভট্টাচার্য, হরিপদ মজুমদার, নজুমদ্দিন ফরাজী, কালু মিস্ত্রি এবং নলিনী দাস। দাঙ্গাকারীরা তাদের ধরে বেদম প্রহার করে নদীর দিকে রওয়ানা হয়। উদ্দেশ্য সবাইকে  মেরে নদীতে ভাসিয়ে  দেয়া। নলিনী দাসদের সেটা বুঝতে বেশি সময় লাগে না। প্রহারে কাতর নলিনী দাস একজন যুবককে বললেন ‘আমার নামে দু’হাজার টাকা, হিরণের নামে পাঁচশো টাকা, ধরতে পারলে এবং অন্য কারুর কারুর নামে হয়তো পুরস্কার ঘোষণা করাতো আছেই তবে আমাদের  মেরে কি লাভ? থানায় গিয়ে জমা দিলেই তো অনেক টাকা পুরস্কার পাওয়া যাবে।’ নলিনী দাসের এই কথায় খুব কাজ হলো। নদীর ওপারেই উজিরপুর থানায় এদের হস্তান্তর করে বাহবা নিয়ে দাঙ্গকারীরা খুশি মনে বাড়ি ফিরে এল, আর উপস্থিত বুদ্ধিতে রক্ষা পেল ছয় বিপ্লবীর জীবন। উজিরপুর থানা থেকে বন্দীদের পাঠানো হয় বরিশাল  জেলে। এবার বন্দীদশা থেকে নলিনী দাস মুক্তি পান ১৯৫৬ তে যুক্তফ্রন্ট পূর্ব পাকিস্তানে সরকার গঠনের পর।
১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে জেনারেল আইউব খান সামরিক শাসন জারি করলে নলিনী দাস আবার আত্মগোপন করেন। পলাতক অবস্থায় তিনি কৃষক সংগঠন এবং কমিউনিস্ট পার্টি সংগঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বরিশাল  ভোলাসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় চলে নলিনী দাসের সাংগঠনিক কাযাক্রম। এই সময় তিনি কখনও প্রাইভেট টিউটর, কখনও কৃষক, কখনও ফেরিওয়ালার  বেশে ঘুরে  বেরিয়েছেন এক এলাকা  থেকে আর এক এলাকা। রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছেন পুলিশের  চোখে ধূলা দিয়ে। আইউব খানের সামরিক সরকার নলিনী দাসের এইসব কর্মকান্ডের খোঁজ পেয়ে শত  চেষ্টায়ও তাকে ধরতে পারেনি। পরে তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে তাকে ধরিয়ে দিতে পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপের কর্মীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনের কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন নলিনী দাস। এবার তার কর্মস্থান পিরোজপুরের নাজিরপুর এবং স্বরূপকাঠি এলাকা। দেশে টিকতে না পেরে ১৯৭১-এর জুলাই মাসে নলিনী দাস কয়েকজন বন্ধুসহ সীমান্ত  পেরিয়ে পশ্চিবঙ্গে চলে যান। কলকাতা গিয়ে প্রথমেই তিনি বরিশাল এলাকায় পাকিস্তানী বাহিনীর নির্মম অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে একটি বিবৃতি দেন। তার নাম উল্লেখ না করে এই বিবৃতি নতুন দিল্লি থেকে প্রকাশিত ‘নিউ ওয়েভ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে সারা ভারতবর্ষে এক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।  কেবল বিবৃতি নয়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রায় প্রতিটি ট্রেনিং ক্যাম্পে ঘুরে ঘুরে নলিনী দাস মুক্তি যোদ্ধাদের উৎসাহিত করার কাজ করেছেন; কখনও বক্তৃতা দিয়ে আবার কখনও বীর মুক্তিযোদ্ধদের সঙ্গে আন্তরিক সময় কাটিয়ে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ডিসেম্বর মাসেই নলিনী দাস ফিরে আসেন বরিশালে। ইতোমধ্যে কমিউনিস্ট পার্টি উন্মুক্ত কাজ শুরু করেছে। বিপ্লবী মনোরমা বসু মাসিমার মাতৃমন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পার্টি কমিউন। কমিউন অর্থে মাসিমার  ছোট্ট ঘরে বৃদ্ধ-তরুণ-যুবক মিলে কয়েকজন কমিউনিস্ট পার্টি সদস্যর বাস; আর  সেই সাথে বাহির  থেকে  কোনো কমরেড বরিশাল  গেলে তাদের  দেখভাল। নলিনী দাস বরিশাল ফিরে এই কমিউনেরই স্থায়ী বাসিন্দা হন।  সেই সাথে চলে পার্টি সংগঠনের নানা কাজ। সংগঠিত করেন একঝাক তরুণ কমিউনিস্টকে।  সংগঠিত করেন মুকুল-মিলন খেলাঘর আসরসহ আরও নানা সংগঠন।
মানব সেবা তথা সমাজ  সেবা নলিনী দাসের সহজাত প্রবৃত্তি। ১৯৭৪-এ তিনি ঝাপিয়ে পরেন আর্ত মানবতার সেবায়। সরকারি উদ্দ্যোগে বরিশাল শহরে কয়েকটি লঙ্গরখানা খোলা হলে তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব নেন দুইটি লঙ্গরখানার। দিন রাত খেটে তিনি পরিচালনা করেছেন লঙ্গরখানা; সেবা করেছেন আর্ত মানবতার।  সেই সাথে  চেষ্টা করেছেন গৃহহারাদের পুণর্বাসনে।
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকান্ডে নলিনী দাস কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন। ১৫ আগস্ট ভোর হবার অগেই আত্মগোপনের পথ বেছে নেন। আশ্রয়  নেন বরিশাল শহরেরই আশপাশের কোনো গ্রামে,  কোনা কমরেড বা শুভাকাংখির বাড়িতে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বরিশাল শাখা গড়ে তোলনে তিনি। নলিনী দাস কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৯৮১- তে যান কলকাতা।
১৯৮২ সালের ১৯ জুন কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,শিক্ষানুরাগী,বিপ্লবী কমরেড নলিনী দাস’র ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নলিনী দাস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লায়ন্স হোমিও কলেজ ও নলিনী দাস হাসপাতাল, নলিনী দাস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও নলিনী দাস স্মৃতি পাঠাগারের যৌথ উদ্যোগে শনিবার সকাল ১১টায় এক স্মরণ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, নলিনী দাস স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি মাহবুবুল আলম নিরব। স্মরণসভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা।
গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক্ব আবদুল মমিন টুলু।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, দুর্গামোহন দাস জনকল্যাণ ট্রাস্ট সম্পাদক ফজলুল কাদের মজনু, মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী, মহিউদ্দিন মাসউদ জনি, হোসনে আরা বেগম চিনু, আমির বাবুলসহ গণ্যমান্য শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক বৃন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, লায়ন হোমিও কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির ও নলীনি দাস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম সাহা প্রমুখ।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

© 2024 দ্বীপের সাথে ২৪ ঘণ্টা Bholar Sangbad, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।