শিরোনাম:
●   ভোলায় জমি দখলের খবর পেয়ে স্ট্রোক করে মারা গেলেন প্রবাসী ●   ভোলার নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে আইনজীবী সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ●   আজ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মোঃ হাবিবউল্লাহ’র ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী ●   ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন ভোলার তানভীর শিকদার, বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন ●   ভোলা কাঁচা বাজারের প্রবেশমুখে দোকান নির্মাণ, ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের ক্ষোভ! ●   লালমোহনে তোলপাড় কৃষ্টি সংসারের সকল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা ●   তজুমদ্দিনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার মুজিববর্ষের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ ●   মনপুরায় বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ●   ভোলা সদর হাসপাতালের স্টাফের হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা ●   ভোলায় আদালত প্রাঙ্গণে বিচার প্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায় কুঞ্জ’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২ আশ্বিন ১৪৩০

ভোলার সংবাদ
রবিবার ● ৩১ অক্টোবর ২০২১
প্রথম পাতা » ফটোগ্যালারী » বাংলাদেশের প্রেমে রাশিয়ান মেয়ে
প্রথম পাতা » ফটোগ্যালারী » বাংলাদেশের প্রেমে রাশিয়ান মেয়ে
৫৮৩ বার পঠিত
রবিবার ● ৩১ অক্টোবর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশের প্রেমে রাশিয়ান মেয়ে

---

কাজের সূত্রে বাংলাদেশে এসেছেন রাশিয়ার তরুণী অলগা টকচকিয়া পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে চাকরি করছেন তিনি কাজের ফাঁকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তবে গত কয়েক দিনে তার কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো তোলা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের জিন্দা পার্কের পাশে পদ্ম শাপলা নামের জলাশয়ে। এর আগেও অলগা অনেক জায়গায় গিয়েছেন, তবে ভাইরাল হয়েছে এই ছবিগুলোই। তুলেছেন ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলোকচিত্রী অনির্বাণ কায়সার। ছবির গল্প বলতে গিয়ে নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া শাপলা বিলের এই ছবিগুলো অক্টোবর তুলি। অলগার সঙ্গে আমার জানুয়ারি মাসে ইনস্টাগ্রামে পরিচয় হয়। উনি নিজেই আমার অন্যান্য ছবি দেখে নক দেন। এরপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় উনার ছবি তুলেছি।’ অলগার ছবির মাধ্যমে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে ইতিবাচকভাবে প্রচারিত হচ্ছে জানিয়ে অনির্বাণ বলেন, ‘আমার ছবিগুলো দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাইটে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা আমাকে আনন্দিত করেছে আমি চাই, আমার মাধ্যমে আমার দেশ পরিচিত হোক’ বাংলাদেশের প্রেমে পড়া অলগা নিজের পরিচয় দেনঅলগেশ ইন বাংলাদেশনামে। কাছের মানুষও তাকে এই নামে ডাকেন। অল্প অল্প বাংলাও বলতে পারেন তিনি। বাংলাদেশকে একটি সুন্দর এবং অতিথিপরায়ণ দেশ উল্লেখ করে অলগা বলেন, ‘২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে আসার আগেই আমি ভারত শ্রীলঙ্কায় ছিলাম তাই প্রথম থেকেই মানিয়ে নিতে খুব একটা সমস্যা হয়নি তবে রাস্তার বিভিন্ন চিহ্ন না বোঝায় চলতে সমস্যা হতো সেগুলোও রপ্ত করেছি কথা বলা শিখতে অনেক বেশি সময় লেগেছে’ তিনি বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে অনেক পছন্দ করি। পাবনায় যেখানে থাকি, সেটি কোনো বড় শহর নয়। এটি আমার জন্য ভালোই হয়েছে। এখানে আমি এমন অনেক কিছু অনুভব করেছি, যা আমি অন্য কোথাও অনুভব করিনি আমি গ্রামীণ জীবন দেখছি এবং প্রকৃতির কাছাকাছি এসেছি’ অলগার কাছে বাংলাদেশের যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, সেটি হলো নদী জলাশয়। তার মতে, বাংলাদেশের মাটির চেয়ে পানিই বোধ হয় বেশিঅলগার প্রিয় কাজের একটি হলো নৌকায় চড়া। যেখানেই গেছেন এই অভিজ্ঞতা নেয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। অলগা বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের যে জায়গাগুলোতে গেছি, সেগুলো ঠিকমতো গুনিনি তবে ২০ থেকে ২৫টি জেলায় ঘুরেছি আমি এখনও রংপুর এবং ময়মনসিংহে যাইনি তবে রাজশাহী এবং ঢাকার জেলাগুলোতে অনেক ঘুরেছি এই দেশে আমার প্রিয় জায়গা পার্বত্য চট্টগ্রাম তবে সেখানে বিদেশিদের ভ্রমণ আরও সহজ হলে ভালো হতো’ ভাইরাল হওয়া ছবি মানুষের ইতিবাচক কমেন্টের বিষয়ে অলগা বলেন, ‘অনির্বাণ আরও তিনবার আমার ছবি তুলেছে। একই ছবি আমি যখন ফেসবুকে পোস্ট করি, তেমন রিচ হয় না। তবে অনির্বাণ ফেসবুকে দিতেই ভাইরাল হয়ে গেল। তাই ক্রেডিট অনির্বাণের। সে বাংলাদেশের একজন মেধাবী ফটোগ্রাফার।’ বাংলাদেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার এখন সুন্দর জীবন স্থিতিশীল চাকরি আছে। প্রতিটি কোণে আমার জন্য অ্যাডভেঞ্চার অপেক্ষা করছে। আমি সত্যিই এই দেশটিকে পছন্দ করি। এখানে দীর্ঘ সময় থাকলে ভালো লাগত, তবে কিছু ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কারণে আমি শিগগিরই চলে যাব। আমি নিশ্চিত যে, এটি এই সুন্দর দেশের সঙ্গে আমার সংযোগ ছিন্ন করবে না।’ বাংলা ভাষা নিয়ে অলগা বলেন, ‘আমি কাজ চালানোর মতো বাংলা বলতে পারি। ভাষার ওপর জাতীয় পরিচয় নির্ভরশীল এমন দেশে বাস করাটা আমার জন্য বিশেষ ঘটনা। মানুষ যেভাবে তাদের মাতৃভাষাকে সম্মান করে, এটি আমি বেশ উপভোগ করি। এটি আমার নিজের মাতৃভাষা নিয়েও ভাবতে শিখিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলা বলার সময় আমি খুব সতর্ক থাকি, যাতে আমার কথায় কেউ কষ্ট না পায়’ সুযোগ হলে অলগা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কাজ করতে চান। সেটি সম্ভব না হলেও বছর দশেক পরে বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে ফিরতে চান তিনি। অলগা জানালেন, বাবা-মার একমাত্র সন্তান তিনি। তারা সব সময়ই দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে অলগার আগ্রহকে উৎসাহ জুগিয়েছেন। যদিও অলগার বাবা-মার কেউই এখনও বাংলাদেশে আসেননি। অলগা জানালেন, বাংলাদেশে এসে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহারটি খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এখানে এসেই দেখা পেয়েছেন নিজের মনের মানুষের। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তার সঙ্গে ঘর বাঁধতে যাচ্ছেন অলগা। 

-রাজ 





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

© 2023 দ্বীপের সাথে ২৪ ঘণ্টা Bholar Sangbad, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।