শিরোনাম:
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ৬ মাঘ ১৪২৮

ভোলার সংবাদ
সোমবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় » ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’র প্রভাবে ভোলায় মেঘাচ্ছন্ন বৃষ্টির সাথে মৃদু বাতাস অব্যাহত
প্রথম পাতা » জাতীয় » ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’র প্রভাবে ভোলায় মেঘাচ্ছন্ন বৃষ্টির সাথে মৃদু বাতাস অব্যাহত
৮১ বার পঠিত
সোমবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’র প্রভাবে ভোলায় মেঘাচ্ছন্ন বৃষ্টির সাথে মৃদু বাতাস অব্যাহত

---

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছ উপকূলীয় জেলা ভোলায়। রোববার রাত থেকেই জেলার সর্বত্র আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে মৃদু বাতাস অব্যাহত রয়েছে। আগামী এক-দুই দিন এই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে ভোলা আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায়  জেলায় ৬৯২ টি আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে  প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও  মাছ ধরার ট্রলার গুলোকে সমুদ্রে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে।ভোলা- ঢাকা নৌ রুটের লঞ্চ ও একই সাথে ভোলা-লক্ষীপুর- ভোলা-বরিশাল ফেরী গুলো এখন স্বাভাবিক অবস্থায় চলাচল করছে। সর্তক সংকেত বাড়লে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাময়িক বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েন বিআইডব্লিউটির কর্মকর্তারা।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)র উপ-পরিচালক আব্দুর রশীদ জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সব  শেষ ফোরকাস্ট অনুযায়ী মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’। এটি ক্রমেই ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলে জাওয়াদের আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। তবে জাওয়াদের প্রভাবে রবিবার ভোরে  উপকূলীয় জেলা গুলোতে  গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনভর মেঘলা থাকতে পারে আকাশ। তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর দূরবর্তী সংকেত এবং নদী বন্দরে ১ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে। জেলায়  মানুষকে সচেতন করা জন্য ১৩ হাজার ৬০০ সিপিপি ভলেন্টিয়ার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান। সিগ্যানাল বাড়বে উপকূল জুড়ে সচেতনতায় মাইকিং করা হবে।

ভোলা বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক মো.সহিদুল ইসলাম বলেন, ভোলার সকল রুটের নৌযান চলাচল এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বন্ধ করার ঘোষণা আসলে বন্ধ রাখা  হবে। ভোলা-লক্ষীপুর- ভোলা-বরিশাল ফেরী গুলো এখন স্বাভাবিক অবস্থায় চলাচল করছে বলে জানান।

ভোলা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: মোতাহার হোসেন বলেন, আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের উপকূলে জাওয়াদের আঘাত হানার সম্ভাবনা কম। যদি এর প্রভাবে সিগ্যানাল বেড়ে ৪ নং সর্তক সংকেত দেখাতে বললে আমরা স্থানীয় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে প্রস্তুতি সভা করবো। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ মোকাবিলায় সকল প্রকার  প্রস্তুতি  গ্রহণ  করা হয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয়  জেলা ভোলার ৬৯২ টি আশ্রয় কেন্দ্রকে প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যাদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।

-বিপি/এফএইচ





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)