শিরোনাম:
●   চরসামাইয়ায় জমি দখলের পায়তারার অভিযোগ ●   একটু সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে ভোলার মেয়ে ●   মনপুরায় মহান বিজয় দিবস পালনে আ’লীগের প্রস্তুতিমূলক সভা ●   ফেক ফেসবুক আইডি থেকে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান ভোলার বাণী’র সম্পাদক ●   এখনও চরফ্যাসনের বিশ জেলের খোঁজ মেলেনি, পরিবারে শোকের মাতম ●   বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম হাওলাদার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ●   ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ কেঁড়ে নিয়েছে ভোলার শত শত কৃষকের স্বপ্ন ●   তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ●   চরফ্যাশনে ট্রলার ডুবির দুই দিনেও মেলেনি নিখোঁজ ২০ জেলের সন্ধান ●   বোরহানউদ্দিনে কাফনের কাপড় প‌ড়ে প্রতীক আনার পথে হামলা, মোটরসাই‌কেল ভাংচুর, আহত ১০
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৮

ভোলার সংবাদ
শনিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০২১
প্রথম পাতা » চরফ্যাশন » চরফ্যাশনে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান
প্রথম পাতা » চরফ্যাশন » চরফ্যাশনে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান
৮২ বার পঠিত
শনিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চরফ্যাশনে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

---

চরফ্যাশন প্রতিনিধি: চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের বরদার হাট ব্রিজ সংলগ্ন ৬৩ নং আয়শাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩টি ভবনের বিভিন্ন জয়েন্টে ফাটলসহ পলেস্তারা খসে পড়েছে। ক্লাসে পাঠদান চলাকালীন সময়েও পলেস্তারা খসে পড়ে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে নেই পর্যাপ্ত বেঞ্চ আসবাবপত্র। অবস্থার মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়টিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা একাধীকবার পরিদর্শন করলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। জানা গেছে, উপজেলার ৬৩ নং আয়শাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যালয়ে ১৯৯০ সালে চার কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেমি পাকা ২০০০ সালে চার কক্ষ বিশিষ্ট এক তলা একটি ভবন এবং ২০০৫ সালে দুই কক্ষ বিশিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবনটি নির্মাণ করা হয়। যেখানে ৭শ অধীক শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয় টিতে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ৪৮৫ জন ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ২৩৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ২০১৪ সালে ৬ষ্ট শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের জন্য প্রাথমিক গণ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের সেমি পাকা ভবনটির নেই কোনো দরজা জানালা। এছাড়াও বারান্দার পিলারগুলোও ভেঙ্গে গিয়েছে এবং উপরের টিনগুলোও পুরোনো হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। সাইক্লোন সেল্টারটির ছাদের ঢালাই ভেঙ্গে বিভিন্ন স্থানে রড বের হয়ে গেছে। যার ফলে ভবনটিতে পাঠদানের অনুপযোগী হওয়ায় শিক্ষকরা সেল্টার ভবনের নিচে টিন দিয়ে বেড়া তৈরী করে সেখানে পাঠদান করেন। এক তলা বিশিষ্ট ভবনটি বেশ পুরোনো হওয়ায় ছাদের ঢালাই,পিলার এবং দেয়ালের পলেস্তারা ভেঙ্গে পড়ছে। বিদ্যালয়ের ভবনগুলো যে কোনও সময় ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা করছে শিক্ষার্থী। সুরমা,আবুবকর জুয়েনা নামের শিক্ষার্থীরা জানান, এখানে ভবনগুলো জরাজীর্ণ পড়ালেখা করার মতো সুন্দর কোনো পরিবেশ নেই। অভিভাবক আবু জাহের মিস্ত্রি সুমন ডাক্তার বলেন,“বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ হওয়ায় এবং সড়ক ব্রিজের ঢাল সংলগ্ন হওয়ায় ছোট, ছোট শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আমরা বেশ চিন্তিত থাকি কখোন যেন আবার দূর্ঘটনা ঘটে 

সহকারী শিক্ষক হাসান সেলিম নজরুল ইসলাম বলেন, “বিদ্যালয়টি একটি ব্রিজের ঢাল সংলগ্ন হওয়ায় ট্রাক, ট্রলিসহ যে কোনও যানবাহনের দূর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সলিম উল্লাহ বলেন,“বিদ্যালয়ের ভবনগুলোতে ছাদ,পিলার ভীম ফেঁটে গিয়েছে। শিক্ষকরা ভবনগুলোকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে একাধীকবার জানিয়েছেন। ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে রয়েছে। তিনি আরো জানান, শিক্ষার্থী অনুযায়ী পর্যাপ্ত বেঞ্চ আসবাবপত্র না থাকায় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বিদ্যালয় থেকে পুরোনো বেঞ্চ এনে ক্লাস করা হচ্ছে 

ব্যাপারে চরফ্যাশন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা বিদ্যালয়টির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন ভবনের চাহিদা চেয়ে পাঠিয়েছি। আশাকরি কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন

-রাজ





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)